বিজ্ঞাপন:
সংবাদ শিরোনাম:
গাইবান্ধায় হানিট্র্যাপ চক্রের আস্তানায় অভিযান, নারীসহ গ্রেফতার ৩ লালমনিরহাটে নানা আয়োজনে আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী দিবস পালিত ‘ডিবির হেফাজতে’ ছাত্রলীগ কর্মীর মৃত্যুর আগে আটকের সময় কী ঘটেছিল, এমন ভিডিও ফেসবুকে মাদককারবারি বড় ভাইকে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিতে গিয়ে আটক ছোট ভাই ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক ৬ লেনের দাবিতে তিন কিলোমিটারজুড়ে মানববন্ধন শাহবাগে ফ্ল্যাট থেকে চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার চার নারীসহ ইউপি চেয়ারম্যান-মেম্বার আটক রাজধানীতে আওয়ামী লীগের সভাপতি গ্রেপ্তার বালু উত্তোলন নিয়ে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, গুলিতে বিএনপি কর্মী নিহত কালিয়াকৈরের মৌচাক ভান্নারা সড়কের উপর দোকান নির্মাণের অভিযোগ
রমজান ঘিরে ভোগ্যপণ্যে স্বস্তি থাকলেও অস্থিতিশীল মসলার বাজার

রমজান ঘিরে ভোগ্যপণ্যে স্বস্তি থাকলেও অস্থিতিশীল মসলার বাজার

স্টাফ রিপোর্টার: রমজান সামনে রেখে দেশের নিত্যপণ্যের বাজারে আপাতত স্বস্তির চিত্র দেখা গেছে। পাইকারি ও খুচরা—দুই বাজারেই পণ্যের পর্যাপ্ত যোগান রয়েছে। এখন পর্যন্ত আমদানির পরিমাণ নিয়েও কোনো অভিযোগ নেই। ব্যবসায়ীদের দাবি, বাড়তি দামের তেমন কোনো চাপ নেই, খুচরা বাজারেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক।

সকালে পুরান ঢাকার চকবাজার, মৌলভীবাজার ও বেগমবাজার ঘিরে জমে ওঠে পাইকারি বাজারের কেন্দ্রগুলো। চায়ের কাপে চুমুক দিয়ে শুরু হয় এখানকার ব্যবসায়িক দিন। আর দুই সপ্তাহ পর রমজান। ফলে পাইকারি বাজারগুলো এখনই জমে উঠতে শুরু করেছে। এমন সময়ে স্বাভাবিক যোগানের পাশাপাশি বেড়েছে আমদানিও। দেশি পণ্যের সঙ্গে বাজার সয়লাব বিদেশ থেকে আসা খাদ্যপণ্যে।

পাইকারি বাজারে নানা জাতের মুগ, মসুর, ডাবলি ও ছোলা এসেছে ব্যাপক পরিমাণে। গত বছরের তুলনায় ছোলার আমদানি বেড়েছে ২৭ শতাংশ, মুগ ৩০০ শতাংশ, মসুর ৮৭ শতাংশ, খেজুর ২৩১ শতাংশ এবং চিনি ১১ শতাংশ।

পাইকারি ব্যবসায়ীরা বলছেন, ছোলার দাম তুলনামূলক কম রয়েছে। মৌসুমি ডালসহ অন্যান্য পণ্যের দামও স্থিতিশীল। খুচরা বাজারে ভালো মানের ছোলা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে ৯০ টাকায়, সাধারণ ছোলা ৮০ টাকায়। খেসার ডালের দাম নেমেছে ৯০ থেকে ১০০ টাকায়, আর মসুর ও মুগ ডালের দাম কমেছে কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত।

তবে মসলার বাজারে এখনো অস্বাভাবিকতা রয়ে গেছে। ভারতসহ বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানিতে বাধা, মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা ও ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে দীর্ঘ পথ ঘুরে দেশে আসছে মসলা। ফলে দাম বেড়েছে এলাচ, জিরা ও লবঙ্গের। বাজারে ভারতীয় এলাচ কেজিতে সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা, ভারতীয় জিরা মানভেদে ৫৭০ টাকা, ইরানি ও আফগানি জিরা ৭০০ টাকা এবং শ্রীলঙ্কার লবঙ্গ বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ২৫০ টাকায়।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, ইরান ও মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে সেসব দেশের পণ্য আসতে পারছে না। ফলে মসলার দাম নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে, ক্রয়-বিক্রয়—দুই দিকেই চাপ তৈরি হচ্ছে।


তবে রমজানের পণ্য নিয়ে খুচরা বাজারে এখনো তেমন অভিযোগ নেই। আগামী ১৫ দিনে চাহিদা ও যোগানের ভারসাম্য নষ্ট হবে কি না—সে নিয়েও খুব একটা শঙ্কিত নন ব্যবসায়ীরা। তাদের মতে, সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলে দামের সূচকে বড় কোনো প্রভাব পড়বে না।

প্রায় ২০০ বিলিয়ন ডলারের খাদ্যপণ্যের বাজারে আপাতত স্বস্তির হাওয়া বইছে। কিছু পণ্যের দাম গত বছরের তুলনায় কমও রয়েছে। সব মিলিয়ে বলা যায়, এখন পর্যন্ত ক্রেতাদের জন্য অপেক্ষা করছে তুলনামূলক স্বস্তির রমজান। তবে বাজারে অসাধু দৌরাত্ম্য ঠেকাতে সব পক্ষের সমন্বিত পদক্ষেপ প্রয়োজন।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।
Design & Development BY : ThemeNeed.com